সাম্প্রতিক সংবাদ

বিচারের পরিবর্তে নির্যাতনের অভিযোগ কাউন্সিলর জাবেদের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত: ১০:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২১

বিচারের পরিবর্তে নির্যাতনের অভিযোগ কাউন্সিলর জাবেদের বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট:: পারিবারিক কলহের জের ধরে একজন গৃহবধুর কথা শুনে নগরীর সওদাগর টুলা এলাকার বাসিন্দা মৃত জিতু জিয়ার ছেলে তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ সহ এলাকার কিছু যুবকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠেছে তারা গৃহবধুর কথা শুনে তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে এলাকায় ঢুকতে নিষেধ প্রদান করছেন। জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী শরীফা বেগম এক কন্যা সন্তানের জননী। জাহাঙ্গীর আলমের স্থায়ী ঠিকানা মাধবপুরের সায়েমনগরের মুরাপাড়া গ্রামে। তিনি প্রায় ৯ বছর পূর্বে সওদাগরটুলার বাদশা মিয়ার মেয়ে শরীফা বেগমকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে জান্নাতুল মাওয়া জুই (৭) নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জাহাঙ্গীর আলমের দাম্পত্য জীবন ভালই চলছিল। কিন্তু কিছু দিন ধরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হন শরীফা। ২১জুন রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে রাগের মাথায় স্ত্রী শরীফা ঘর থেকে বের হয়ে যান ও প্রায় ২ ঘন্টা পর বাহিরের বেশ কিছু লোকজন নিয়ে আসেন। এসময় কাউন্সিলরের কথিত পিএস নাসির জাহাঙ্গীর আলমকে ঘর থেকে বের করে দেন। এ অবস্থায় জাহাঙ্গীর ৯দিন নানির বাসায় থেকে ২৯ জুন রাতে স্ত্রী সন্তানকে দেখতে পূণরায় সওদাগরটুলা বাসায় যান। কাউন্সিলরের কথিত পিএস নাসির ও তার সহযোগীরা ৬৩নং মোমিন গার্মেন্টেস এর সামনে জাহাঙ্গীর আলমকে টেনে হেচড়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। শুধু তাই নয় ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদও জাহাঙ্গীর আলমের বুকে লাথি মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাপাতালে চিকিৎসা প্রদান করেন। অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলর উক্ত জাহাঙ্গীর আলমকে শাসিয়ে বলেন, তোকে এলাকার ঢুকার সাহস কে দিয়েছে। এ অবস্থায় স্ত্রী সন্তানের জন্য পাগলপ্রায় জাহাঙ্গীর আলম চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। তিনি যে প্রকারে হোক তার স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পেতে চান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ