সাম্প্রতিক সংবাদ

আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ মহান “ফেসবুকে যা লিখলেন ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার”

প্রকাশিত: ৩:৪৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২০

আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ মহান “ফেসবুকে যা লিখলেন ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার”

দেশে নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন অনেকে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানারকম তথ্য প্রকাশ হচ্ছে। ফেইসবুকে সচেতনতামূলক তেমনি একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেইন চৌধুরী। যা নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো:

“করোনা” এই মুহুর্তের সবচেয়ে পরিচিত একটি নাম। বিশ্বের এমন কোন রাষ্ট্র নেই যেখানে করোনা নিয়ে মাথা ব্যাথা নাই। আমরা জানি প্রত্যেকটি সার্বভৌম রাষ্ট্র তার বাইরের চিন্তায় একযোগে কাজ করতে সাধারণত আগ্রহ প্রকাশ করে না। কিন্তু এই মুহুর্তে সমগ্র পৃথিবীর একটাই চিন্তা কি করলে আর কিছুদিন বেশী বেঁচে থাকতে পারবো। তবুও যদি মরে যেতে না হয়।
মাত্র গোটা কয়েক দিন আগেও কেউ চিন্তাও করতে পারে নাই এমন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। আর আজ ভাই ভাইয়ের নেই, সন্তান মায়ের নেই, পিতা সন্তানের নেই বাকিরা তো দূরের কথা! প্রাণপ্রিয় পরম আত্মীয়স্বজন মমতাময়ী ব্যক্তি কেউ ঘরের দরজায় কড়া নাড়লেই ভেতরের আওয়াজ টা ঠিক এমন হয় ‘দরজা খোলা যাবে না চলে যান আপনি লকডাউন শেষ হলে আসবেন, আমি বাঁচতে চাই আমি মরতে চাই না সুতরাং দয়া করে আপনি চলে যান’
তার মানে কি এই ছোট্ট রিস্ক টাও নিতে কেউ রাজি নয়?
অপরদিকে প্রবাস জীবনে পাড়ি জমানো মানুষগুলোর কথা বলার কিছুই নেই। যারা জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল শুধুমাত্র পরিবারের বাকি সদস্যদের আরেকটু ভালো আরেকটু উন্নত এবং সুখকর জীবন সৃষ্টির লক্ষ্যে। আর দিয়েছে ঠিকই।
অপরপ্রান্তের মানুষ গুলোও সবাই কি মমতা স্নেহ আর ভালবাসার সিন্দুকে ভরা মধুর সম্পর্কের গ্রহণ বা জানান দিত তাও বলা বাহুল্য। আর আজ কি পাচ্ছে ওই প্রবাসী মানুষগুলো কি পাচ্ছে এর প্রতিদান স্বরূপ!
দুদিন আগেই যারা জীবনের সব ছিল আজ বুঝি তারা ভয়ঙ্কর বিষধর হয়ে গেছে। না জানি তারা আসলে তাদের থেকে আমারও ভাইরাস সংক্রমণ হয়ে যাবে তাদের সাথে আমিও মরে যাব সেই ভীতি এবং নির্মম স্বার্থপরতার এক জাল।
এছাড়াও নির্মম সত্য হচ্ছে বিগত কয়েকদিনের লক্ষণীয় ঘটনাসমূহের পর্যায়ক্রমের এর ফলাফল যা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ওই ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষগুলোর মৃত্যুর পর তাহার নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ কির্তি টাও পায় নি!”!
তার মানে কি?
তার মানে এটাই কারো কারণে যেন কেউ না মরে অর্থাৎ নিজের জীবন রক্ষার তাগিদ।
এখন কথা হলো করোনা একটি ভাইরাস সিন্ড্রোম বা কিছু ক্ষুদ্র বস্তু যা পরনির্ভর ক্রিয়া গঠনে সক্ষম এতে যদি এই অবস্থার সৃষ্টি হয়ে গেল, তাহলে ভাবতে পারেন সেই দিনটির কথা যেই দিন “ইয়া নাফসি “এর মত একটি শব্দে সারা বিশ্ব মন্ডল সয়লাভ হবে অর্থাৎ ভয়ংকর কিয়ামতের দিনের কথা বলতে চাচ্ছি।
তবে কি এতদিন যা জানতাম বা নিজে অনুভব করতাম, টাকা পয়সা ধন সম্পদ অথবা ক্ষমতার কথা, দেখেছি এর জন্য কত কিছুই না করেছে সবাই, অথচ যখনই দেখল নিজের জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে তখনই সবকিছু ত্যাগ করে সারা বিশ্বের সবাই একটি আকুতি নিয়ে একসাথে চিন্তা এবং আশ্রয়ে সমিত হয়ে কোন প্রতিষেধক বা প্রতিরোধের উপায় বের করার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেল।
তাই বলতে চাই হে করো না তোমাকে আসলেই ‘ধন্যবাদ ‘ এই কারণে অন্তত তোমার জন্য আজ আমিও বুঝতে পারলাম পৃথিবী কি, কে আমার আপন, কি আমার কর্মফল? *
অথচ আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা এখনো আমাদের উপর রাগান্বিত হলেন না। তবুও তিনি চাইলেন ছোট্ট একটি নমুনা দ্বারা যদি আমরা শুধরে যাই, আমরা পাপাচার থেকে বিরত থাকি এবং মানবতার সর্বোচ্চ বিবেচনা কে জাগ্রত করতে পারি,, আর তবেই তো আমরা সফলকাম।
হে মালিক তুমি কত দয়ালু, কত মহান, আমাকে মাফ করুন সারা পৃথিবীর মানুষকে আপনি মাফ করে দিন এবং আমরা সকল কে দয়া করুন মা_বুদ।
আমরা তো আপনারই গোলাম আর আপনি_ই তো আমাদের মালিক , আপনি _ই তো আমাদের একমাএ ও সর্বশেষ আশ্রয়স্থল।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ